গভীর রাতের কষ্টের কবিতা||ছেলেদের কষ্টের কবিতা||না পাওয়ার কষ্টের কবিতা

0
গভীর রাতের কষ্টের কবিতা||ছেলেদের কষ্টের কবিতা||না পাওয়ার কষ্টের কবিতা,

নিজেকে শক্ত করুন, সস্তা নয়! প্রতিটা মানুষের'ই নির্দিষ্ট কিছু আত্মসম্মানবোধ আছে। হুট করে কোন কিছু'ই হয়না, পরিবর্তনও একদিনে আসে না। ধীরে ধীরে মানুষ পরিবর্তন হয়, আঘাত মানুষকে পরিবর্তন করে। মানুষের অবহেলা মানুষ কে পরিবর্তন করে। অসংখ্য কথা, আর পাহাড় সমান ব্যথা লুকিয়ে মানুষ নিজেকে শক্ত করে ঘুরে দাঁড়ায়।
যেখানে বারবার নত হয়েও কোন সম্পর্ক টিকে না,যেখানে অনুভূতি গুলো কোন মূল্য পায় না সেখানে মানুষ আর নত হতে চায় না, বরং হারাতে চায়। তখন মানুষটা ভেতর থেকে ভেঙে চুরে যায়,ব্যথা লুকিয়ে মানুষটা পাথর হয়ে যায়। আর একটু একটু করে নিজেকে আড়াল করে নেয়।
তখন আমরা তার আড়াল হয়ে যাওয়াটা'কে পরিবর্তন মনে করি । আমরা শুধু তার পরিবর্তনটা কে দেখি, তার অসহায়ত্বটা'কে দেখি না। তার অভিমানে ভাষা বুঝিনা।আমরা ভুলে যাই এই মানুষটা একদিন আমাদের হাসাতো, আমাদের রাগ অভিমানের খেয়াল রাখত ব্যস্ততা শেষে নিয়ম করে আমাদের সাথে কথা বলতো।
অথচ সেই মানুষটা এখন কিছুই বলেনা। চুপচাপ থাকে, নিজেকে আড়ালে রাখে। তার অভিমানে খোঁজ আমরা রাখি না। আমরা আমাদের অহংকারের কাছে তার সরল বিশ্বাস কে হারিয়ে দেই তৈরি করে দেই একটা বিশাল শূন্যতা !
অসমাপ্ত গল্পের রেখা টেনে বলে দিয়ে বিদায়। মানুষটা কোন প্রতিবাদ করেনা কারণ মানুষটা নিজেকে আর সস্তা করতে চায় না, মানুষটা আর কাউকে বিরক্ত করতে চায়না। আড়ালে থাকতে চায়! আর পার্থনা করে, ভালো থাকুক সেই মানুষগুলো যে মানুষগুলোর জীবন থেকে হারিয়ে যায়।
--- পারভীন ইসলাম।

 আমরা কেউ কি কখনো ভেবেছিলাম!

ভালো থাকার অভিনয় করে করে এভাবে নিজেদের ঠকাতে হবে।
ভেতর থেকে ভেঙেচুরে গেলেও মানিয়ে চলতে হবে।
এক লহমায় অধিকার হারিয়ে যাবে,
স্মৃতি হয়ে যাবে সব, অতীত হবো আমরা!
দিন ফুরানো কাজের শেষে আচমকা মনে পড়লে,
চোখ যেনো কিছুতেই জ্বলধরে রাখতে পারে না,
কেমন আছো সেটা জানার অধিকারও যে আর থাকে না।
--- পারভীন ইসলাম।

এখনো শেষ বিকেলে আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করি।
রাত-বিরাতে তোমার স্মৃতিরা এখনো আমাকে খুব যন্ত্রণা দেয়।
পাহাড় সমান কথা জমে অভিমানী এই মনে।
মাঝে মাঝে মনে হয় তোমাকে অনুরোধ করি!
ফিরে এসে একটি বার দেখে যাও,
তোমার না থাকা জুড়ে স্মৃতি গুলো কিভাবে পুড়ে।
হঠাৎ আমাদের শেষ দিনটায় কান পেতে শুনি,
তুমি আর ফিরবে না আমি জানি,
শুধু তুমি জানো না তেমার না থাকা জুড়ে
এখনো তুমি কতটা আমার।
--- পারভীন ইসলাম।

কতো চাওয়া না পাওয়ার অভিযোগ থাকে আমাদের,
অথচ,না চাইতেই আমরা যে অনেক কিছু পেয়ে গেছি!
কখনো কি সে গুলোর জন্য শুকরিয়া আদায় করেছি ?
কেবল পাইনি বলে হাই হুতাশ করেছি শতবার!
তবু তিনি নারাজ হোন'না ক্ষমা করে দেন আমাদের বারংবার।
আমরা কেনো নিরাশ হই ! শুধু ভরসা রাখুন,
তিনি ছাড়া কেউ নেই আমাদের দেবার।
আপনার আমার জন্য তিনিই যথেষ্ট,
আলহামদুলিল্লাহ,আল্লাহু আকবার।
--- পারভীন ইসলাম।



শুনো!
অনেক ছেড়ে যাওয়া মানুষ আছে চারো দিকে,
তুমি না হয় একটু ব্যতিক্রম হওয়ার চেষ্টা করো!
ভালো কম বাসলেও চলবে আমায়,
শুধু আমার ভালোবাসাকে সন্মান করো।
আমি আমরণ ভালোবাসার প্রতিশ্রুতি দেবো তোমায়।
--- পারভীন ইসলাম।

তোমার দেওয়া আঘাতে আমি শুধু দগ্ধ হয়েছি,
হাসির আবডালে লুকিয়েছি ব্যাথা,
তুমিহীন এই আমি কেমন আছি,জানতে চাও সে কথা?
চুপিসারে মুখ বুজে পরে থাকি,ভালোবাসি নিরবতা,
বিছানার এককোণে জরোসরো আমি, চারোদিকে শুধু শূন্যতা,
আমি তোমার থাকার মুহূর্তযাপনে কাটিয়ে দেই বেলা,
সবাই বলে ভুলে যাও! নতুন করে শুরু করো পথ চলা।
আমাকে আহত করে সবাই,
তবু আমি থেকে যাই,
দূর থেকে দেখে যাই,
কতো সুখে আছো তুমি!
না পাওয়াকে সন্মান করে'ই না হয়,
থেকে যাবো আমি।
---- পারভীন ইসলাম।


আপনারে ঠিক আমি কইতে পারুম না,
আপনারে ছাড়া আমি কেমন আছি,!
কেমনে দিন পার করতাছি, রাইত কেমনে পার হইতাছে আমার!
আমার অন্তরডা পুইরা যাইতাছে,
চোখের পানিতে ভাইসা যাইতাছে স্বপ্ন!
কষ্ট হইতাছে দম আটকাইয়া যাইতাছে আমার।
চিল্লাইয়া চিল্লাইয়া কইতে মন চাইতেছে,আপনার এছাড়া আমি ভালো নাই
ক্যান আপনি এমন করলেন?,
ক্যান আমার এই ঘুনেধরা জীবনে আপনি আইলেন ?
রাইত নাই, দিন নাই অক্ষরে অক্ষরে সাজাইয়া,
আমারে কতার মায়ায় জরাইলেন।
ক্যান আপনি এই মিচা মায়ার খেলা খেললেন?
কাছের মানুষ হইয়া ক্যান আইজ পর মানুষের লাহান ভুইলা গেলেন।
ক্যান বদলাইয়া গেলেন আপনি?
মানুষ এমনে ক্যান বদলাইয়া যায় কইবেন আমারে?
শিখাইবেন কেমনে ভুইলা যাওন লাগে,
আমিও যে ভুলতে চাই, আমিও যে একটু শান্তি চাই,
আমিও মায়া কাটাইতে চাই, আপনার মতো!
ঘুটঘুইটা এই আন্ধাইর রাইত জানে,
এই হৃদয় জমা কত ক্ষত! শুধু আপনি জানলেন না।
---- পারভীন ইসলাম।

তীব্র কষ্টের কবিতা,কষ্টের ছোট কবিতা,কষ্টের কবিতা লিরিক্স,

কি লাভ হলো আমাকে ফিরিয়ে দিয়ে?
সেই-তো আবার তুমি একা হয়ে গেলে!
জিতবে বলে বড় হারা টাই তুমি হেরে গেলে।
কি এমন ক্ষতি হতো আমায় রেখে দিলে?
আমি না'হয়, একটু পাগলামি করতাম!
কারণে অকারনে ঝগড়া করতাম,
ফোন করতে দেরি হলে অভিমানে গাল ফোলাতাম,
কপালে বড় বড় বাজ তুলে বলতাম! কথা বলবো না তোমার সাথে;
কি হতো আমার মান ভাঙালে,
খুব কি ক্ষতি হতো আমায় রেখে দিলে?
আমি না হয় একটু অগোছালো ছিলাম,
গাঢ় করে কাজল পড়লে, টিপ পরতে ভুলে যেতাম,
কানের দুল মনের ভুলে এখানে-সেখানে ফেলে রাখতাম!
খোলা চুলে অপলক তাকিয়ে তোমায় দেখতাম।
কি হতো কপাল ছুঁয়ে টিপ পরিয়ে দিলে,
ভালোবেসে একটু যত্ন নিলে,আমার কাজল চোখের মায়ায় পড়লে?
খুব কি ক্ষতি হতো আমায় রেখে দিলে।
সেই তো আবার তুমি একা হয়ে গেলে!
আর অবহেলার পারদ ছুয়ে অবজ্ঞায় অপমানে
নিখোঁজ হলো আমার যাবতীয় ভালো থাকা।
নিদ্রাহীন রাত, তুমিহীন সকাল, তারপর উপেক্ষা!
চোখের নিচে গাঢ় কালির স্তুপ এ কেমন বিষন্নতা?
আমার নিঃশ্বাসে প্রতিদিন বিষাক্ত চুম্বন এঁকে দিলে,
খুব কি ক্ষতি হতো আমাকে রেখে দিলে।
---- পারভীন ইসলাম।

তুমি হয়তো অনেক দূরে চলে যাবে।
ভুলতে ভুলতে একদিন সবটা ভুলে যাবে।
নতুন কতো গল্প হবে,
আপন স্বভাবে কেউ তোমায় বদলে দেবে।
কখনো কি ভুল করে মনে পড়বে?
নাকি সেদিন ও ঘৃণা করবে?
আমি কিন্তু রোজ মনে করব ঘুনাক্ষরে ও তুমি টের পাবে না ।
শুনো,আমার চেয়ে বেশি কেউ তোমায় চাইবে না।
---- পারভীন ইসলাম।

বিচ্ছেদ কোন দূরত্ব নয়, আমার কাছে একটা শব্দ মাত্র! চাইলে যে কেউ বিচ্ছেদ করে দিতে পারে একটা সম্পর্কের, তবে মনের নয়! মনের সম্পর্কের কোন বিচ্ছেদ হয় না। তাই তো মন বুঝার ক্ষমতা সৃষ্টিকর্তা সবাইকে দেয় না, মনের উপর কারো জোর চলে না।
হয়তো মানুষ টা অনেক ভেবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুতরাং তার সিদ্ধান্তকে সম্মান করুন। জানি কষ্ট হবে,একটা মানুষের হাত ধরে জীবনের অনেকটা পথ হেঁটে যাওয়ার পর হুট করে তার হারিয়ে যাওয়া, তার বদলে যাওয়া আপনার জীবনটাকে কঠিন করে তুলবে।
মানুষটার হুটহাট আপনাকে ফোন করা, আপনার খোঁজ নেওয়া খুটিনাটি বিষয় নিয়ে আপনার সাথে ঝগড়া করা খুব মিস করবেন আপনি। তার কিছু ছোট ছোট আবদার, যার মাঝে লুকিয়ে থাকতো অফুরন্ত ভালোবাসা সে গুলো আপনাকে খুব যন্ত্রণা দিবে।
যে মানুষটা আপনার হাসির কারণ হবে সেই মানুষটি যখন আপনাকে কাঁদাবে তখন কোন সুখ আর আপনার কাছে সুখ মনে হবে না। যার ভালো থাকায় আপনি ভালো থাকতে শিখেছেন যার কষ্টে আপনি কেদেঁছেন। সেই মানুষটাই যখন আপনার মন ভেঙে দিয়ে যাবে, বুঝতে হবে! মানুষটা কেবল আপনাকে নাম মাত্র একটা সম্পর্কে বেঁধেছিলো, মনের সাথে বাঁধেনি ।
সুতরাং তাকে যেতে দিন, নাম মাত্র সম্পর্ক থেকে মুক্তি দিন। যে মানুষটা সব সময় মনে থাকে সেই মানুষটা ভাগ্যে থাকতে হবে এমন কোন নিয়ম নেই। এই নিয়মের দুনিয়ায় অনিয়মে মানুষ অনেক কিছু পুষে রাখে, তাই অনিয়মে ভালো থাকতে শিখতে হবে। প্রিয় মানুষগুলোর ভালোর জন্য তাদের বিদায় দিতে হবে। সত্যিই খুব কষ্ট হবে !নিঃশ্বাস আটকে যাওয়ার মত কষ্ট।যা সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হবে।তবু মানুষগুলো থেকে যাবে মনে, বড় বেশি অনিয়মে।
----- পারভীন ইসলাম।

আমি খুব স্বার্থপর!
সব সময় নিজেকে নিয়ে ভাবি।
সহজে কেউ আমাকে কাঁদতে দেখে না।
রোদ্দুরে চেয়ে থাকি আমি!
খাঁ খাঁ করে আমার বিষাদের আঙিনা।
সামান্য বিষয়ে আমি ভেঙে পড়িনা।
পথের ধারে অযত্নে বেড়ে ওঠা আগাছার মত জীবন আমার!
নিখাদ নির্ভরতার আকাশ আমি দেখিনা।
অবহেলাতে আমি ভালোবাসা খুঁজি।
নিখাদ ভালোবাসা আমি বুঝিনা।
তোমরা কেবল একটু অবহেলা দিও!
চুপচাপ সয়ে নেবো!
ঝর্ণা মতো নিরবে ক্ষয়ে ক্ষয়ে যাবো।
নিঃশব্দে ভেসে যাওয়া অশ্রু জলে লিখে দিয়ে যাব ভালবাসি।
---- পারভীন ইসলাম।

আইচ্ছা হাছা কইরা কন তো!আপনি এহোন কেমন আছেন?
আমার খুব জানবার ইচ্ছা করে!মানুষটা হাছা'ই কি ভালা আছে,
না ভালা থাহনের নাটক করে?
আইজও কি আমারে মনে পড়ে?
সব হারাইবার পর মানুষটা কেমন আছে জানবার ইচ্ছা করে ?
হঠাৎ হঠাৎ বুকটা কাঁইপা ওঠলে রাইতভর জাইগা থাকেন?
ঘুম পাহারা দিয়া আমার স্মৃতির লগে কতা কন?
সব ভাঙ্গাচুরা কান্দন আইয়ে ,
চিল্লাইয়া কইবার মন চায়,
আপনে আরেকবার ফিরা আসেন।
আমার পাশে বসেন, আগের লাহান হাসেন!
আইচ্ছা, আমার মুখ খান দেখবার সাধ কি হয়'না আপনার?
এই যে অসহায় চক্ষু দুইডা বেদনার বিষে জইলা পুইরা যায়,
আপনি বুঝেন না?জানেন,
এই চোক্ষে আপনি আর আপনারে দেখবেন না ।
ভেতর থেইক্কা ভাঙ্গা মানুষ গুলা দেখতে কেমন হয় !
আমারে না দেখলে আপনি বুঝবেন না।
---- পারভীন ইসলাম।

Important Keywords Used In Thes Article🔎:কষ্টের কবিতা লিরিক্স,বিরহের কষ্টের কবিতা,ছেলেদের কষ্টের কবিতা,বাংলা ছোট বিরহের কবিতা

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.
Post a Comment (0)

#buttons=(Accept !) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Learn More
Accept !
To Top