ভালবাসার গল্প।অবশেষে তুমি আমার

0

 নিহি.. আমি সত্যিই তোমাকে খুব ভালোবাসি।

নিহিঃ দেখুন.. আপনারা আমার আশ্রয়দাতা!! আপনার আর আমার ভালোবাসা আপনার বাবা-মা মেনে নিবে নাহ!! প্লিজ.. আপনি হাতটা ছাড়ুন!!
নিহানঃ নাহ.. তুমি আগে হ্যাঁ বলো, তারপরে ছাড়বো।
নিহিঃ হাত ছাড়তে বলছি কিন্তু!!
নিহানঃ বলছি তোহ আমার উত্তর দেও, তাহলেই ছেড়ে দিবো।
নিহিঃ ঠাসসস!! ( থাপ্পাড়টা মেরে আমি চলে আসি। আমি মা-বাবা হারা একটা এতিম মেয়ে। নিহান ভাইয়ার আম্মু আমাকে এই বাসায় রেখে, পড়াশুনা করাচ্ছে!! উনি আমাকে অনেক বিশ্বাস করেন। আমি নিহান ভাইয়া সাথে কোনো সম্পর্কে জড়িয়ে, আন্টির বিশ্বাস ভাংতে চাই নাহ!! তাই আমি নিহান ভাইয়ার সাথে এমন করলাম।)


নিহানঃ নিহি যে আমাকে থাপ্পাড় দিবে, এটা আমি কখনো আশা করি নাই। যেই মা-বাবা পর্যন্ত হাত তুলে নাই, সেই শরীরে আজ পছন্দের মানুষটা আঘাত করে চলে গেছে। অজান্তেই চোখ দিয়ে কয়েক ফোটা পানি জড়ে পড়লো। জীবনে কোনো মেয়েকে ভালোবাসি নাই, কারণ শুধু মনের মতো একটা পাগলির দেখা পাই নাই বলে। আর এমন একটা মেয়ে পাইছি.. সেও ভুল বুঝে চলে গেলো। এসব ভাবতে ভাবতে সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলো। সন্ধ্যার পর রুমে গিয়ে দরজা লক করে উচ্চ সুরে গান লাগিয়ে দিছি। কিন্তু ওই কাহিনীটা আমার বার বার কল্পনায় আসছে। এসব ভাবতে ভাবতে রাত ১১.০০ টা বেজে গেছে। গানও ভালো লাগে নাহ!! তাই গান বন্ধ করে বসে আছি। এমন সময় আম্মু এসে ডাক দিলো,,,
আম্মুঃ নিহান?? অনেক রাত হয়ে গেছে। তারাতাড়ি খেতে আয়।
নিহানঃ আম্মু.. আমি খাবো নাহ!! এখন আমার ক্ষিদা নেই।
আম্মুঃ কেনো.. বাহির থেকে খেয়ে আসছিস??
নিহানঃ নাহ.. আম্মু।
আম্মুঃ তাহলে ক্ষিদা নাই কেনো??
নিহানঃ এমনিতে।
আম্মুঃ বাবা.. তোর কি কিছু হয়ছে?? তুই এভাবে মন খারাপ করে বসে আছিস কেনো??
নিহানঃ এমনি.. আম্মু!! আমার ভালো লাগছে নাহ!!
আম্মুঃ আচ্ছা.. আমি খাইয়ে দেই??
নিহানঃ আম্মু.. বলছি তোহ আমি খাবো নাহ।
আম্মুঃ নিহি.. টেবিল থেকে ভাত আর তরকারিটা নিয়ে আয় তোহ!!
নিহানঃ আম্মু.. আমি তোমাকে সোজা বাংলায় কথা বলছি তুমি কি বুঝতে পারছো নাহ!! আমি কত বার বলবো যে আমি খাবো নাহ!!
আম্মুঃ বাবা.. তুই এভাবে কথা বলছিস কেনো?? ঠিক আছে.. ঘুমিয়ে পড়!!
নিহিঃ আমি দারজার সামনে গিয়ে দাঁড়াতেই দেখি নিহান ভাইয়া আন্টিকে অনেক রেগে বলছে খাবে নাহ!! আমি জানি.. নিহান ভাইয়া কেনো এমন করছে। কিন্তু আমিও তোহ নিরুপায়!! নিহান ভাইয়াকে যে আমার ভালো লাগে নাহ বা আমি ভালোবাসি নাহ এমন কিছু নাহ!! হুম.. আমিও নিহান ভাইয়া প্রচুর ভালোবাসি!! কিন্তু আন্টির বিশ্বাস যে আমি ভাংতে পারবো নাহ!! যখন আমার কেউ ছিলো নাহ, তখন এই আন্টিই উনার বাসায় আমাকে নিয়ে আসে। আন্টি.. মন খারাপ করে নিহান ভাইয়ার রুম থেকে বের হয়ে গেলো। আমি আন্টির পিঁছু পিঁছু চলে এলাম।
নিহানঃ আমি দরজা লাগিয়ে শুয়ে আছি। আজ সারারাত আমার ঘুম আসে নি। সকাল সকাল উঠে ছাঁদে গিয়ে বসে আছি। এমন সময় নিহি কি কাজে জানি ছাঁদে উঠে। চোখে চোখ পরার পর দেখি নিহি কাঁন্না করে নিচে চলে গেছে। আমি কতক্ষণ পর নিচে গিয়ে দেখি, আম্মু.. খাবারের টেবিলে অপেক্ষা করছো। আমি কিছু নাহ বলে সোঁজা আমার রুমে প্রবেশ করে বসে আছি।
আম্মুঃ নিহান.. বাবা?? তোর কি হয়ছে, আমাকে বল?? এইভাবে মনমরা হয়ে বসে থাকলে কি হবে?? কালকে থেকে তোহ কিছু খাচ্ছিসও নাহ!!
নিহানঃ আম্মু.. আমার কিছু হয় নাই।
আম্মুঃ আমরা কি তোকে কিছু বলছি??
নিহানঃ আমি কি বলছি তোমরা আমাকে কিছু বলছো!!
আম্মুঃ উহুম.. বলিস নি!!
নিহানঃ তাহলে এত এডভান্স কথা কেনো বলো??
আম্মুঃ আচ্ছা.. বাবা, এখন খেয়ে নে নাহ!!
নিহানঃ আম্মু.. আমি খাবো নাহ।
আম্মুঃ আমি আর তোর বাবা মরলে খুশি হবি??
নিহানঃ আম্মু.. তুমি এইসব আবোল-তাবোল বলছো!!
আম্মুঃ আজকে তোর আব্বু বাসায় আসছে।
নিহানঃ হঠাৎ করেই আব্বু আসছে যে??
আম্মুঃ কি জানি একটা অনুষ্ঠান করবে বললো!!
নিহানঃ ওহহহ.. ভালো।
আম্মুঃ বাবা.. এখন খেয়ে নে। নাহলে কিন্তু আমিও আর খাবো নাহ।
নিহানঃ আম্মু.. তুমি কেনো খাবে নাহ??
আম্মুঃ তুই আমার একমাত্র ছেলে!! যদি তুই নাহ খেয়ে থাকিস, তাহলে আমি কি করে খাবো।
নিহানঃ আচ্ছা.. তুমি খায়িয়ে দেও।
আম্মুঃ এইইই তোহ আমার লক্ষী ছেলে।
নিহানঃ আমি খেয়ে-দেয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে গেলাম। কারন মন যতই খারাপ থাকুক.. কলিজার বন্ধুগুলো মন ভালো করে দেই। বাইরে থেকে আড্ডা দিয়ে এসে দেখি আব্বু আসছে। তারপরে আব্বুর সাথে অনেকহ্মন কথা বলে, নিজের রুমে এসে ঘুমিয়ে পড়লাম।
২ দিন....
নিহানঃ আজকে আমাদের বাসায় অনুষ্টান। আমাদের প্রায় সব আত্মীয়রাই আসছে। হঠাৎ চোখ যায় মিলির উপর। মিলি আমার খালাতো বোন। ও আমাকে অনেক আগে থেকেই পছন্দ করে। আর অনেকবার প্রপোজও করেছিল কিন্তু আমি এক্সেপ্ট করি নি!! আজ ওরে দিয়া একটু গেইম খেলি দেখি কি হয়।
মিলিঃ নিহান.. কেমন আছো??
নিহানঃ আলহামদুলিল্লাহ ভালো!! তুমি??
মিলিঃ আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো। আসো তোমার সাথে কথা আছে।
নিহানঃ এই বলে মিলি আমার হাত টেনে নিহির সামনে দিয়ে আমার রুমে ডুকে, দরজা ভেতর থেকে লক করে এসে.. আমাকে বলল,,
মিলিঃ নিহান.. আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি।
নিহানঃ ওহহহ!!
মিলিঃ হুমম!! নিহান.. তুমি আমাকে ভালোবাসো নাহ কেনো? আমার মাঝে কি নাই??
নিহানঃ তোমার ভিতরে সব আছে।
মিলিঃ তাহলে আমার প্রেমে কেনো সারা দিচ্ছো নাহ!!
নিহানঃ আচ্ছা.. আমি ভেবে দেখবো। এখন যাও আমার কাজ আছে।
মিলিঃ কি কাজ??
নিহানঃ মেহমানদের দেখাশোনা করা করতে হবে।
মিলিঃ ওহহহ.. আচ্ছা। একটু ভেবে দেখো কিন্তু!!
নিহানঃ সন্ধ্যায় মিলি আর আমি ছাঁদের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছি।
মিলিঃ আমি যে তোমাকে বড্ড ভালোবাসি!! এটা কি তুমি বুঝো নাহ??
নিহানঃ হুমমম.. বুঝি তোহ!!
মিলিঃ তাহলে তুমি সারা দিচ্ছো নাহ কেনো??
নিহানঃ এমনি!! এখন বাই। (বলে হাঁটা শুরু করছি। তখনই মিলি আমাকে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরো বলছে, লাভ ইউ!! ঠিক তখনই আমি সামনে তাকিয়ে দেখি নিহি। নিহি আমাকে আর মিলিকে এভাবে দেখার সাথে সাথে মন খারাপ করে, নাহ দেখার ভান করে ছাঁদ থেকে নেমে গেলো।
নিহানঃ মিলি?? একটা কথা বলি.. মন খারাপ করবি নাহ তোহ??
মিলিঃ নাহ.. বলো??
নিহানঃ আমি নিহিরে ভালোবাসি রে। ওরে ছাড়া আমি শূন্য হয়ে যাবো।
মিলিঃ তুমি কিহ সত্যিই.. ওরে ভালবাসো??
নিহানঃ হুম!! শুধু ভালবাসি নাহ.. অনেক অনেক ভালবাসি। ওরে ছাড়া আমি থাকতে পারবো নাহ। প্লিজ.. মিলি তুই এটাতে একটু সাহায্য করবি!!
মিলিঃ আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি। তাহলে আমার কি হবে??
নিহানঃ প্লিজ.. আমার জন্য একটু সেক্রিফাইস কর!!
মিলিঃ ওকে। (কাঁন্না করে)
নিহানঃ প্লিজ.. তুই এইভাবে কাঁদিস নাহ!! মিলি.. তুই বিশ্বাস কর, ওরে আমার জীবন থেকেও বেশি ভালবাসি।
মিলিঃ ওকে যাও!! ভালবাসা তোহ আর জোড় করে পাওয়া যায় নাহ। যদি জোড় করে বা অন্য কোন উপায়ে পাওয়া যেতো তাহলে তোমাকে আমার করে নিতাম ।
নিহানঃ দেখিস.. তুই আমার থেকেও অনেক ভালো ছেলে পাবি।
মিলিঃ আমার তোমার থেকে ভালো ছেলে পাওয়া লাগবে নাহ!! বাই....
নিহানঃ বলেই মিলি চলে গেলো। আমিও রুমে যাচ্ছি.. ঠিক তখন নিহি আমার সামনে পড়লো। আমার দৃষ্টি ওর চোখে পড়তেই, আমার মনে হলো, নিহি অনেক কাঁন্না করেছে। নাহলে ওর চোখ কেনো লাল হবে?? সেদিনের মতো রাতটা এভাবে ভাবতে ভাবতে কেটে গেলো। আর সারা রাতে একটা চিঠি লিখছি, চিঠিটা ছিল এইরকম,,
নিহানঃ প্রিয় নিহি.. হঠাৎ চলার পথে একটা মুখ একেবারে বুকের মধ্য গেঁথে যায়। এটা কেবল সৌন্দর্যের জন্য নাহ। এই মুখ হাজার মানুষের ভিড়েও আমি দেখতে পাই। সবচেয়ে বড় কথা হলো.. আমি তোমাকে আবিস্কার করেছি একটু একটু করে। মনের চোখ দিয়ে তোমাকে আমি দেখেছি। মন বলে.. স্বর্গ থেকে দেবী এসেছে আমাকে পৃথিবীর ধুলো বালি থেকে আচঁল দিয়ে ডেকে রাখার জন্য। তোমার মুখে কি দেখেছিলাম কে জানে!! ফলে যা হবার তাই হলো!! আমি মুহূর্তেই তোমাকে ভালোবেসে ফেললাম। ভালোবাসার মধ্যে কোনো অপরাধ আমি দেখি নাহ। কারন এতে মানুষের কোনো হাত নেই। কেমন একটা ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় হয়ে যায়. আল্লাহ'তালা ভালো বলতে পারবেন। ইংরেজীতে যাকে বলে.. Love is the gift of God... তাই শাস্তি আমাকে নাহ দিয়ে তাকেই দিও!! শুধু আমারটা আমাকেই বুঝিয়ে দিলেই হবে। আসলে ভালোবাসাহীন জীবন অনেকটা পিথাগোরাসের গানিতিক তও্বের মতো রস-কষহীন। আর ভালোবাসায় ভরা জীবন হচ্ছে.. ভিঞ্চির মোনালিসার মতো রোমান্টিক জীবন। কিটসের কবিতার মতো মধু ভরা মৌচাক। আমার মতে শুধু ভালোবাসার মাধ্যমেই সব স্বপ্ন সত্যি করা যায়। আমি তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি। এখন যদি পৃথিবীর সবচেয়ে রুপসী কন্যা এসে "I Love you" বলে, আমি তাকেও রিজেক্ট করে দিবো।আমি বোকার মতো অনেক কিছু লিখে ফেললাম।এতো কিছু লেখার অধিকার হয়তো আমার নেই।তারপরও নিজেকে বাঁচানোর জন্য লিখতে হলো।কথাটা আরো গুছিয়ে বললে যা দাঁড়ায় তাহলো.. "আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচবো নাহ!!
ইতি
তোমার উপর অধিকার নাহ পাওয়া একটি অপদার্থ!!
নিহানঃ আমি সকালে উঠে প্রথমই কুত্তিটারে দেখছি!! আমার পাগলীটা কত্ত সুন্দর আর গুছালো। ওরে দেখলে কেনো এতো ভাল্লাগে।
ও আমাকে এমন আকর্ষন করে কেনো?? ও যখন ওয়াশ রুমের দিকে গেছে.. তখন ওর টেবিলে চিঠিটা রেখে আসলাম। এভাবে দুপুর পর্যন্ত গেল।
দুপুর গিয়ে বিকেল হলো তখন দেখি নিহি ছাঁদে যাচ্ছে। আমিও পিছন পিছন গেলাম। আমি গিয়ে ওর পিছনে গিয়ে দাঁড়িয়ে....
নিহানঃ নিহি!! তোমাকে চিঠিটা দিয়েছিলাম পাইছো??
নিহিঃ আমি কিছু নাহ বলে, শুধু মাথা ঝাকিয়ে বুঝালাম যে আমি চিঠিটা পেয়েছি।
নিহানঃ যদি চিঠির উত্তরটা দিতে তাহলে খুশি হতাম।
নিহিঃ কোন উত্তর নাই??
নিহানঃ এইডা কি হয়বো নাকি!! আমি কষ্ট করে চিঠি লেখলাম, আর তুমি উত্তর দিবে নাহ!! আচ্ছা.. সত্যিই উত্তর নাই??
নিহিঃ হুম.. একটা উত্তর আছে।
নিহানঃ হুমম.. প্লিজ, তারাতারি বলো??
নিহিঃ আপনি কয়টা প্রেম করেন??
নিহানঃ এখন পর্যন্ত তোহ করি নাই!! কিন্তু তুমি এক্সেপ্ট করলেই, প্রথম প্রেম শুরু হবে।
নিহিঃ তাহলে মিলির সাথে কি করেন??
নিহানঃ মিলিকে আমি বোনের চোখে দেখি।
নিহিঃ তাহলে কাল যে এতো মজা করে জড়িয়ে ধরে ছিলেন??
নিহানঃ মিলি আমাকে ধরছে!! আমি ওকে ধরি নাই।
নিহিঃ ওহহহ.. তাই নাকি!!
নিহানঃ হুম.. সত্যি!! মিলির সাথে আমার কিছু নাই
আর অবিশ্বাস হলে ওরে ডাক দেই??
নিহিঃ আমি কি বলছি ওকে ডাকতে??
নিহানঃ নাহ বলো নাই!! কিন্তু..
নিহিঃ আচ্ছা.. প্রেমের আগে বিয়ে করতে পারবেন??
নিহানঃ মানে??
নিহিঃ মানে.. খুব সোঁজা!! আগে বিয়ে তারপর প্রেম।
নিহানঃ তার মানে কিহ তুমি রাজি??
নিহিঃ আমি কি বলছি নাকি যে আমি রাজী??
নিহানঃ হুম.. এটা রাজির লক্ষন।
নিহিঃ হুহ.. খুব ভালোই তোহ অভিজ্ঞতা আছে দেখছি।
নিহানঃ হুম.. তোমার হবু স্বামী নাহ!!
নিহিঃ চুপপপপ!! এখন নিচে গিয়ে নামাজ পরবেন। নাহলে কিন্তু সব বাদ!!
নিহানঃ আমি এই কথা শুনে খুশিতে ওকে জড়িয়ে ধরছি!!
নিহিঃ এইইই.. এইইই.. রাখেন!!
নিহিঃ আমি মুখে বললেও ওকে জড়িয়ে ধরা থেকে আটকাচ্ছি বা অন্যকোনো কিছু করছি নাহ!!
নিহানঃ হুমম.. বলো??
নিহিঃ আমি ওইই দিনের ঘটনার জন্য সরি!!
নিহানঃ সরি কেনো বলছো??
নিহিঃ ওইদিন রাগের মাথায় হাত উঠালাম.. তাই!!
নিহানঃ ইট'স ওকে!!
নিহিঃ ওইদিনের পর থেকে আপনাকে ভালোবাসতে শুরু করছি!! কারন শাশুড়ি আম্মু নাকি অনেক আগে থেকেই ভেবে রাখছে, আমাকে আপনার বউ বানাবে।
নিহানঃ মানে কি?? তুমি এইসব কি বলছো?? (অবাক হয়ে)
নিহিঃ হুম!! আন্টি আমাকে সব বলছে!! আর বলছে.. আপনারে যেনো ঠিক করি।
নিহানঃ সত্যিই?? তাহলে তোমাকে আরেকটু জড়িয়ে ধরি??
নিহিঃ লাগবে নাহ!! আপনি গিয়ে ওই মিলিরে ধরেন।
নিহানঃ মিলিরে বোন হিসাবে ধরবো আর তোমাকে বউয়ের মত করে।
নিহিঃ তারপরেও মিলিরে জড়িয়ে ধরবেন??
নিহানঃ আরে.. নাহ!!
নিহিঃ এখনই তোহ বলছো.. স্যরি, বলছেন।
নিহানঃ তোমাকে জড়িয়ে ধরবো সারাক্ষণ
আর হ্যাঁ এখন থেকে সর্বদা তুমি করে বলবা
নিহিঃ আচ্ছা.. ঠিক আছে।
নিহানঃ আমার ভাবতেই ভালো লাগছে, নিহি আমার হয়ে গেছে। সত্যিই.. আমি পাগলীটাকে বড্ড ভালোবাসি। আজকেই আম্মুকে বলবো, কালকেই জেনো আমাদের বিয়ে দিয়ে দেই। আর সুন্দরী মেয়েদের তাড়াতাড়ি বিয়ে করে ফেলতে হয়। নাহলে আবার হাত ফঁসকে চলে যেতে পারে!!
গল্পঃ অবশেষে তুমি আমার

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.
Post a Comment (0)

#buttons=(Accept !) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Learn More
Accept !
To Top